★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা কেন হয় এবং এর প্রতিকার

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আসসালামু আলাইকুম,কেমন আছেন সবাই?আশা করি ভালই আছেন।আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কম্পিউটারের অত্যন্ত পরিচিত একটি সমস্যার সমাধান।শিরোনাম দেখেই হয়ত বুঝে গেছেন কি নিয়ে আজকে আলোচনা করব।আজকে কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব।

চলুন জেনে নেই যে আসলে কম্পিউটার হ্যাং হয় কেন এবং এই সমস্যা এড়াতে করণীয় কি?

এর বেশ কয়েকটি কারন রয়েছে।যেমনঃ

** মাল্টিটাস্কিং একটি বড় কারন।মাল্টিটাস্কিং হচ্ছে একসাথে অনেকগুলো কাজ করা।কম্পিউটারে যদি একই সময় একসাথে অনেকগুলো কাজ করা হয় কম্পিউটার স্বাভাবিক ভাবে হ্যাং হবেই।অনেকে ফটো এডিট করার সময় গান শুনে।আবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড চালু করে রাখে কাজের সুবিধার্থেে।এসব কারনে পিসি হ্যাং হয়।তাই খুব ভাল মানের পিসি না হলে মাল্টিটাস্কিং কম করতে হবে।

** কম্পিউটারের র‍্যাম স্বল্পতা আরেকটি বড় কারন।কম র‍্যাম থাকলে বড় ধরনের প্রোগাম চালানোর সময় পিসি হ্যাং হয়ে যায়।তাই কম্পিউটারে পর্যাপ্ত র‍্যাম রাখা বাঞ্চনীয়।

**হাই গ্রাফিক্সের গেইম খেললে।যেহেতু র‍্যাম কম এর মধ্যে হাই গ্রাফিক্সের গেম,পিসি তো হ্যাং হবেই।গেইম লোড হওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ র‍্যাম আবশ্যক।

**মাদারবোর্ডে হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যা থাকলেও কম্পিউটার হ্যাং হয়।এজন্য হার্ডওয়্যারের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

**প্রসেসরের মান ভাল না হলে পিসি বারবার হ্যাং হয়ে থাকে।এটি একটি কমন সমস্যা।তাই পিসি কেনার সময় ভাল মানের প্রসেসস কিনতে হবে।

**উইন্ডোজ ফাইল মিসিং থাকলেও পিসি হ্যাং হয়।তাই উইন্ডোজ সংক্রান্ত জ্ঞান না থাকলে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে পিসিতে উইন্ডোজ সেটাপ দিয়ে নেয়া ভাল।

** ধুলাবালি পিসির বড় শত্রু।অনেক সময় অতিরিক্ত ধুলাবালি জমে মাদারবোর্ড এবং কুলিং ফ্যান জ্যাম হয়ে যায়।এতে পিসি হ্যাং হয়।তাই মাঝে মাঝে পিসি পরিষ্কার করতে হবে।এক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।

**মাদারবোর্ডের যন্ত্রাংশের কানেকশন ঠিক ভাবে না থাকলে পিসি হ্যাং হতে পারে।তাই হার্ড ড্রাইভ এবং মাদারবোর্ডের অন্যান্য ক্যাবল গুলো সঠিক ভাবে সংযুক্ত করতে হবে।

**হার্ড ডিস্ক অতিরিক্ত লোড হয়ে গেলেও পিসি হ্যাং হয়ে যায়।তাই পিসি তে অপ্রয়োজনীয় ফাইল না রাখাই ভাল।

**আর সব চাইতে বড় একটি কারন হচ্ছে ভাইরাসে আক্রমণ।এই কারনেই বেশিরভাগ সময় পিসি হ্যাং হয়ে থাকে।এজন্য ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে ভাল মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহারের বিকল্প নেই।

এছাড়া পিসির ক্যাশ ফাইল গুলো রেগুলার ডিলেট করতে হবে।এগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়।আর পিসির ফ্রন্ট পেইজে যত কম সম্ভব সর্টকাট রাখা যায় ততই ভাল।দরকার না হলে ভারী এপ্স ইনস্টল না করাই উচিত।এইসব বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখলে হ্যাং হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

তো আজকে এপর্যন্তই।পরবর্তীতে আবারো অন্য কোনো বিষয় নিয়ে উপস্থিত হবো,ইনশাআল্লাহ।সবাই ভাল থাকবেন।